ইন্টারনেটের পূর্বে আমাদের জীবনযাপন কেমন ছিল

0
184
ইন্টারনেটের পূর্বে আমাদের জীবনযাপন কেমন ছিল
5 (100%) 1 vote

ইন্টারনেট আমাদের জীবনযাপনকে আরও সহজ করে তুলছে। ইন্টারনেট আসার পূর্বে আমরা একটি অন্ধকার জীবন যাপন করছিলাম। ইন্টারনেটের কল্যাণে আমরা অনেক কিছু খুব সহজেই জানতে পারছি। পূর্বে আমরা এতো সহজে সব জানতে পারতাম না। কোন কিছু লাগলে আমরা ইন্টারনেটেই অর্ডার করতে পারছি। পূর্বে ঘরের বাইরে কি হচ্ছে তাই আমরা জানতে পারতাম না। পত্রিকা আসার অপেক্ষায় থাকতে হতো।

আমরা পূর্বে এতো সহজে যোগাযোগ করতে পারতাম না। এখন বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যম তৈরি হয়েছে যার কল্যাণে আমরা পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে সহজেই যোগাযোগ করতে পারছি। কিন্তু পূর্বে দেখা যেত এক দেশ হতে আরেক দেশে চিঠির মাধ্যমে যোগাযোগ করতাম। যা অনেক সময় সাপেক্ষ ছিল। অনেকসময় দেখা যেত চিঠি প্রাপকের কাছে আসতো না। দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হতো।

এখন ইন্টারনেটের জন্য আমাদের পড়ালেখা অনেক সহজ হয়ে গেছে। যে কোন কিছু আমরা ইন্টারনেটে বসেই জানতে পারছি। কিন্তু পূর্বে এই সুযোগটা ছিল না। কোথায় কি অন্যায় হচ্ছে পূর্বে টা জানা যেত না। কিন্তু এখন ইন্টারনেটের কল্যাণে এখন আমরা সহজেই জানতে পারছি। সকলের ঘরে ঘরে ব্যবহৃত হচ্ছে ইন্টারনেট। ইন্টারনেট ছাড়া একটা দিনও ভাবা যায় না। ইন্টারনেটের যেমন সুবিধা রয়েছে পাশাপাশি অসুবিধাও কিন্তু কম নয়।

ইন্টারনেটের জন্য আজ অনেক উপকৃত হচ্ছি। যা আপনাদের সামনে এখন তুলে ধরা হল:

তথ্য শেয়ারিং করা

আপনি ইন্টারনেটে এমন একটি কাজ করতে পারবেন যেটা সবার উপকার এ আসে। আপনার যাবতীয় তথ্য সবার কাছে শেয়ার করতে পারবেন। বিজ্ঞানী বা গবেষকরা তাদের সকল কিছু সবার মাঝে শেয়ার করে মানুষের কল্যাণের জন্য ইন্টারনেটে যেটার শেয়ার করার প্রক্রিয়া খুব সহজ।

তথ্য সংগ্রহ করা

ইন্টারনেটের ওয়েব সার্ভারে বিভিন্ন ধরনের অনেক বিশাল তথ্য ভাণ্ডার আছে যেখান থেকে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত তথ্য পেতে পারেন। যেটা আমাদের ছাত্রদের জন্য তাদের নিজ নিজ বিষয়ের উপর অনেক ভাল কিছু করতে পারে। যেখানে আছে কোটি কোটি ওয়েবসাইট এ টেক্সট এবং ছবি আকারে বিভিন্ন তথ্য। যা থেকে আপনি সহজেই বিশ্বের প্রতিটি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। এই কাজের জন্য আপনি বিশেষ ধরনের কিছু ওয়েব সাইট আছে যে গুলো ইন্টারনেটে সার্চ ইঞ্জিন নামে সবাই জানে এবং আপনি এই সার্চ ইঞ্জিন ব্যাবহার করে সেখান থেকে সকল ধরনের তথ্য পেতে পারেন, এই সার্চ ইঞ্জিন এর ভিতর আছে google.com, altavista.com, search.com, yahoo.com, ask.com, bing.com ইত্যাদি সহ আরো অনেক ধরনের সার্চ ইঞ্জিন। যেখান থেকে আপনি দিনের ২৪ ঘন্টাই সেবা পেতে পারেন

সংবাদ জানা

আপনি চাইলে সব সময় ইন্টারনেট থেকে সবার আগে নতুন সংবাদ পেতে পারেন। সারা দুনিয়ার সব বড় বড় সংবাদ পত্র অধিকাংশ ইন্টারনেট এ আছে। সারা বিশ্বের ঘটে যাওয়া ঘটনা সম্পর্কে সর্বশেষ খবর পেতে পারেন যেগুলো তাদের ওয়েবসাইট আছে। যে গুলো কিছু সময় পর পর তাদের নতুন আপডেট দেয়।

অনলাইনে চাকরি খোজা

আপনি ইন্টারনেটে খুজতে পারেন বিভিন্ন ধরনের চাকরি। সারা বিশ্বের সব বড় বড় কর্পোরেট অফিস গুলো তাদের কর্মী নিয়োগ এর ক্ষেত্রে সব থেকে অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেয় বেশি যা আপনি সার্চ ইঞ্জিন থেকে খুজে পেতে পারেন।

যোগাযোগ রক্ষা

ইন্টারনেট আমাদের সারা দুনিয়া কে হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। ইন্টারনেট দিয়ে এখন সহজেই অনেক দূর দুরান্তে যারা থাকে তাদের সাথে এখন সরাসরি আপনি যোগাযোগ করতে পারেন যেমন, চ্যাট,ভিডিও কনফারেন্সি্‌ ই–মেইল, ইন্টারনেট টেলিফোনি ইত্যাদি এগুলো দিয়ে আপনি সারাক্ষণ সবার সাথে যোগাযোগ রাখতে পারেন।

এছাড়া আপনি ইন্টারনেট দিয়ে আরো নানা বিধ কাজ করতে পারেন, ইন্টারনেট খুব সহজ করে দিয়েছে আমাদের জীবন এর চলাফেরার স্টাইল আপনি আজ সারা দুনিয়াতে এরই জয়জয়কার শুনবেন সব জায়গাতে, ইন্টারনেটের যেমন কিছু সুবিধা আছে তেমনি অসুবিধাও আছে যা এখন আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম:

বিশেষ করে টিনেজ, কিশোর-কিশোরী ছেলেমেয়েদের নিয়ে কিছু পরামর্শ তুলে ধরছি। বেসিক কিছু পয়েন্ট এখানে উল্লেখ করছি:

  • বাচ্চারা কি খুব বেশি লগইন করতে ভালবাসে?
  • সাময়িক সময় একা থাকলেই কি নেটে বসে যায়?
  • আপনাকে এড়িয়ে গিয়ে কি কোনো ওয়েবসাইট লগইন করে?

এই সকল প্রশ্নগুলোর উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে আপনাকে অবশ্যই আপনার সন্তান সম্পর্কে অনেক বেশি সচেতন হতে হবে। কারণ আপনার সন্তানের ইন্টারনেট নিয়ে খুব কৌতুহল আছে। আপনার সন্তানকে বুঝান ইন্টারনেট সম্পর্কে আকর্ষণ যদি থাকেও, কোনো কিছু নিয়ে বাড়াবাড়ি ভালো না। বড় হওয়ার সাথে সাথে ওদেরকেও পরিপার্শ্বিক বিষয় সম্পর্কে তাদের মনে জাগতে থাকে নানা ধরনের অসংখ্য প্রশ্ন। অনেক সময়ই সেইসব না জানা প্রশ্নের মনমতো উত্তর তারা পায় না। আর তারা হাতের মুঠোয় ইন্টারনেট পেয়ে যাওয়াতে তাদের যত না জানা প্রশ্ন রয়েছে।

আজকাল ইন্টারনেটের বদৌলতে সব তথ্যই হাতের মুঠোয়। মনের পছন্দ মতো যে কোনো সাইটে অনায়াসে পৌঁছে যাওয়া যায় মাউসের একটি ক্লিকের মাধ্যমে। ছোটদের উপযোগী তথ্য সব সাইটেই যে থাকে, এমন নয়। আর এসব সাইটগুলো পরবর্তীকালে তাদের মানসিক বিকাশের পথে নানাভাবে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। আকর্ষণীয় এই ধরনের সাইটগুলো একটা নেশার মতো হয়ে যায়। অনেক সময় দেখা যায়, কারও সঙ্গে চ্যাট করেও নানা ধরনের অবাঞ্ছিত সম্পর্কে জড়িয়ে যায়। আবার চ্যাটিংয়ের মাধ্যমে হয়রানির শিকারও হয়, অনেকে প্রতারিতও হয়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY