ইমেইল এর মাধ্যমে গ্রাহকের কাছ থেকে সাড়া পাওয়ার উপায়

0
199
ইমেইল এর মাধ্যমে গ্রাহকের কাছ থেকে সাড়া পাওয়ার উপায়
5 (100%) 1 vote

কেন অনেকে ব্যক্তিসত্তাহীন সেলস ইমেইল পাঠিয়ে আশা করে যে কাস্টমার তার মেইল এ সাড়া দিবে। ওই বিক্রয় ইমেইল পাঠানোর কোন মানে হয় না যদি আপনি অস্পষ্ট এবং অপ্রাসঙ্গিক বার্তা তাদের পাঠান এবং যা পাঠানোর কোন পয়েন্ট নেই। এতে আপনি সঠিক ব্যক্তির থেকে প্রতিক্রিয়া তো পাবেনই না এবং যারা ​​আসলেই আপনার কাছ থেকে কিনতে পারে তাদের থেকে কোন সেলস মিটিংও পাবেননা।

আপনি যদি চান মানুষ আপনাকে এবং আপনার কোম্পানী কে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করুক তাহলে আপনাকে অবশ্যই আপনার বিক্রয় পদ্ধতির পরিবর্তন এবং সর্বপ্রথম আপনার গ্রাহক এর সন্তুষ্টি সম্পর্কে ভাবতে হবে।

এখানে তিনটি সহজ ধাপ দেয়া হল যার মাধ্যমে যে কোনো বিক্রয় কর্মী অন্তত তিন গুণ বেশি কার্যকর ভাবে কাজ করতে পারবে।

ধাপ ১ঃ ফোকাসড থাকুন এবং কাস্টমারের চিন্তা চেতনাকে জানুন

আমি অবাক হই তখন যখন মানুষ বলে যে তারা তাদের বিক্রয় লক্ষে পৌছাতে পারেনি হাজারো ইমেইল পাঠানোর পরও। কারন অনেক সেলসম্যান এবং বিপণনকারী এখনো ভুল ধারণা করে যে ইমেইল এর ভলিউম এর উপর বিক্রয় বৃদ্ধি হয়। কিন্তু এই ধারনা ঠিক নয়। সঠিক ও প্রাসঙ্গিক তথ্য দিয়ে কম ইমেইল পাঠিয়ে ও টার্গেটে পৌঁছান সম্ভব। লক্ষ্যহীন ও অপ্রাসঙ্গিক ইমেল পাঠালে তারা আপনাকে স্প্যাম হিসাবে চিহ্নিত করে রাখবে এবং এতে আপনার ও আপনার কোম্পানির খ্যাতি নষ্ট হবে।

এছারাও সেলসম্যান কে অবশ্যই সাবধানে যার সঙ্গে বিক্রয় কথোপকথন শুরু করার চেষ্টা করছে তার সম্বন্ধে চিন্তা করতে হবে। সিদ্ধান্তকারী কে? কি শিল্পে তারা কাজ করে? কত বড় তাদের কোম্পানী? ইত্যাদি বিষয়গুলো।

যে সেলসম্যান পরিষ্কারভাবে ক্রেতার চিন্তা চেতনাকে সংজ্ঞায়িত করবে তাদের কাজ অনেক বেশি কার্যকর ও সফল হবে কারন তারা সঠিক ব্যক্তির সাথে কাজ শুরু করবে এবং তাদের সময় নষ্ট হবে না। কিন্তু যারা ​​আপনার পন্য কিনতে যোগ্য না তাদের সঙ্গে কথোপকথন করে সময় নষ্ট করা উচিত নয়।

ধাপ ২ঃ গবেষণার মাধ্যমে আপনার কাষ্টমারকে বুঝুন

আপনার ক্রেতা কে? তারা কি চাচ্ছে? তারা কি খুঁজে? এই প্রাপ্তিতে তাদের উদ্দেশ্য কি? কি টুলস এবং সফ্টওয়্যার তারা ইতিমধ্যে ব্যবহার করছেন বা কি তারা ব্যবহার করছেনা? তারা তাদের সহকর্মীদের সাথে কেমন করে কথা বলে এবং তারা কি সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি কথা বলে।

আপনার নিজেই নিজেকে এই সব প্রশ্ন এবং সম্ভাব্য আরো অনেক কিছু জিজ্ঞেস করতে হবে। আপনাকে আপনার গ্রাহকের মাথার ভিতর থেকে তাদের পছন্দ গুলো এবং সম্ভাব্য আপত্তি গুলোও বের করে আনতে হবে।

কাস্টমারের সাথে কথা বলা আপনাকে সহায়তা করবে ঠিকই, কিন্তু অনলাইনে গবেষণা খুব বেশি কার্যকর হতে পারে। টুইটার ও লিঙ্কডইন এর মতো অন্যান্য সামাজিক চ্যানেলে তাদের নিয়ে গবেষণা করতে পারেন, যদি তারা সেটি ব্যবহার করে থাকে। তারা তাদের প্রোফাইলের কি কন্টেন্ট বা কীওয়ার্ড ব্যবহার করছে তা ইমেইলে ব্যবহার করতে পারেন।

ধাপ ৩ঃ সর্বদা একজন ব্যক্তির জন্য আপনার ইমেইলটি লিখুন

অনেকেই একটি ইমেইল অনেককে পাঠায়। যেটা ঠিক নয়। আপনি যদি শত শত বা হাজার হাজার মানুষকে পাঠানোর জন্য একটি টেমপ্লেট তৈরি করে থাকেন তবুও সেটি এমন ভাবে পাঠাবেন যেন মনে হয় যে আপনি একটি একক ব্যক্তির জন্য একটি ইমেইল লিখেছেন। তার নাম, ঠিকানা, মোবাইল, পদবি সুন্দর ভাবে দিবেন। ইমেইল লেখা শেষ হয়ে গেলে আগে নিজে পরবেন এবং দেখবেন কেমন শোনাচ্ছে। তারপর কাস্টমারকে পাঠাবেন কি না সিদ্ধান্ত নিবেন। আপনার সহকর্মী বা বন্ধুকে যে রকম টোনে মেইল করতেন অবশ্যই সে টোন বাদ দিবেন।

যদি এই স্টেপ গুলো ফলো না করেন আপনার হাজারটা মেইল গ্রাহকের স্পাম এ জমা হবে এটা নিশ্চিত।

Jannatul Jarin

Jannatul Jarin

Jannatul Jarin is very friendly person and she completed her B.B.A from Daffodil International University in Marketing Major. Besides She was very conscious about fashion trend and beauty. She likes to smile herself and make laugh to others. She also write about online marketing. She is Self-Dependent, hard working and focused.
Jannatul Jarin

Comments

লেখাটি পড়ে কেমন লাগলো ?

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY