কিভাবে একটি যোগাযোগ পরিকল্পনা তৈরি করবেন?

0
638
কিভাবে একটি যোগাযোগ পরিকল্পনা তৈরি করবেন?
5 (100%) 5 votes

একটি যোগাযোগ পরিকল্পনা হল আপনার শ্রোতাদের কাছে আপনার বার্তা পৌঁছানোর জন্য একটি রোডম্যাপ। পরিকল্পনা হল মার্কেটিং, হিউম্যান রিসোর্স, কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স ও জনসংযোগ সংস্থার একটি অপরিহার্য হাতিয়ার। একটি পরিকল্পিত পরিকল্পনা আপনার সময় ও খরচ দুটোই বাঁচাই এবং আপনার কাঙ্খিত ফলাফল অর্জনে সাহায্য করে। আপনার নিজস্ব পরিকল্পনা তৈরি করুন। নিম্নে কিভাবে আপনার জন্য একটি যোগাযোগ পরিকল্পনা তৈরি করবেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলঃ

  • প্রথমে জানুন কি কারনে আপনার যোগাযোগ করতে হবে? আপনার যোগাযোগ করার ফলে ফলাফল কেমন আসতে পারে তা ভাবুন।
  • কাদের সাথে আপনার যোগাযোগ করার প্রয়োজন বিবেচনা করুন। আপনার সম্ভাব্য শ্রোতাদের একটি তালিকা তৈরি করুন।
  • আপনার শ্রোতাদের ইস্যু ও বিষয় সম্পর্কে কি ভাবছেন? কিভাবে আপনি খুঁজে বের করতে পারেন? আপনি একটি নোট তৈরি করুন খুঁজে বের করতে আপনার কি কি লাগবে এবং আপনি কি জানেন?
  • নির্ধারণ করুন আপনার শ্রোতা কি জানতে চাই এবং চিন্তা করুন আপনার যোগাযোগ করার ফলে কি পরিবর্তন এসেছে শ্রোতাদের মাঝে।
  • প্রতিটি শ্রোতাদের জন্য একটি বার্তা লিখুন। প্রতিটি স্রোতার জন্য একই বার্তা হতে পারে কিন্তু তাদের ঠিকানা ভিন্ন ভিন্ন হবে। আপনার যোগাযোগের উদ্দেশ্য মনে রাখুন। অর্থাৎ আপনি কি উদ্দেশ্যে যোগাযোগ করছেন তা মাথায় রাখবেন এবং আপনার বার্তাটির মাঝে এই বিষয়টি প্রাধন্য পাবে।
  • নির্ধারণ করুন কখন আপনার বার্তা আপনার শ্রোতাদের কাছে পাঠানোর প্রয়োজন। আপনার সময়জ্ঞান নির্ধারণ করা হতে পারে কিভাবে আপনার যোগাযোগ করতে হবে।
  • এই পর্যায়ে এসে সিধান্ত নিন কিভাবে আপনার ম্যাসেজটি শ্রোতাদের কাছে পৌঁছাবেন। আপনি আপনার পক্ষ থেকে শ্রোতাদের কাছে সচেতনভাবে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন। এক্ষেত্রে লিখিত যোগাযোগ যথেষ্ট হতে পারে। আপনার বার্তা যদি জটিল হয় তাহলে সমস্যা সমাধান করার জন্য সরাসরি যোগাযোগ মাধ্যমটাই আপনার জন্য ভালো হবে। এক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয় গুলো বিবেচনা করবেন-
  • – কাকে দিয়ে বার্তা প্রদান করা হবে?

    – কিভাবে আপনি তাদের প্রস্তুত করবেন? কি ধরনের জিনিস আপনার প্রয়োজন হতে পারে?

    – আপনি কি ধরনের প্রতিক্রিয়া পেতে পারেন? আপনি কিভাবে জানবেন যে আপনার শ্রোতা যোগাযোগ পত্রটি পেয়েছেন?

    – আপনি কিভাবে জানবেন যে আপনি যা বুঝাতে চেয়েছেন আপনার বার্তায় তা তারা বুঝতে বা যোগাযোগের ফলে কি ধরনের পরিবর্তিত হতে পারে।

    – আপনি কিভাবে বুঝবেন যদি অতিরিক্ত যোগাযোগের প্রয়োজন বোধ করা হয়?

    টিপস-

    – মনে রাখবেন যে, আপনি সব সময় যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন। একটি যোগাযোগের পরিকল্পনা আপনার স্বাভাবিক কার্যকলাপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

    – আপনার শ্রোতা সম্পর্কে জানুন। ভাল হয় আপনি তাদের অগ্রাধিকার, উদ্বেগ সমস্যা এবং পরিবেশ সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে দক্ষতার সাথে আপনার ম্যাসেজটি পৌঁছে দিন।

    – সৃজনশীল হতে শিখুন। আপনার গ্রাহকরা কোথায় আছে জানুন। তাদের সাথে যদি অনলাইনে যোগাযোগ করা যায় তাহলে অনলাইনে যোগাযোগ করুন। আপনার গ্রাহকদের একসাথে জড়ো করুন এবং তাদের সাথে কথা বলুন।

    – আপনার বার্তাটি সম্মুখে নিয়ে আসুন। ফোকাস করুন আপনার গ্রাহকরা কি চায়। এটা আপনাকে বার্তা চিহ্নিত এবং কি ধরনের ম্যাসেজ পাঠাবেন তা নির্ধারণ করতে সাহায্য করবে।

    – ঠিক কি কারনে আপনার যোগাযোগ করার প্রয়োজন তা পরিষ্কার করুন। এই পরিকল্পনা অনেক গুরুত্বপূর্ণ হবে যদি সঠিকভাবে আপনি পরিকল্পনা করবেন।

    সাবধান-

    – আপনি যদি কোন কিছু সম্পকে নিশ্চিত না হন তাহলে আপনার বার্তা প্রদান করবেন না। কারন অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকতে পারে।

    – আপনি অসৎ উপায়ে যোগাযোগ করবেন না।

    – ‘ Scattergun ‘ পদ্ধতির ব্যবহার করবেন না। আপনার বার্তায় আংশিক তথ্য প্রদান করবেন না। আপনার যা জানানোর প্রয়োজন তাই জানাবেন। কোন তথ্য গোপন করবেন না।

Afrin Mukti

Afrin Mukti

Afrin complete her MBA in marketing, beside this she love music and read lots of books. She also write about online marketing, Bangladesh fashion trend and anything that interested her. She is very dynamic and details oriented.
Afrin Mukti

Comments

লেখাটি পড়ে কেমন লাগলো ?

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY