চাকরির জন্য ইন্টারভিউ প্রস্তুতি কিভাবে নিবেন?

0
1180
চাকরির জন্য ইন্টারভিউ প্রস্তুতি কিভাবে নিবেন?
3.7 (73.33%) 3 votes

চাকরির জন্য ইন্টারভিউ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়। আসলে এ পর্যায়ে এসেই নির্ধারিত হয় চাকরিটি আপনি পাবেন কি-না। বর্তমান সময়ে চাকরি হলো সোনার হরিণ। একটি চাকরি পেতে এখন নানান ঝক্কি ঝামেলা সামলাতে হয়। অনেকেরই চাকরির ইন্টারভিউয়ের ভীতি আছে। যোগ্যতা আছে কিন্তু ভয় পেয়ে, দ্বিধা গ্রস্ত হয়ে চাকরি না পাওয়ার সমস্যায় অনেকেই ভুগছেন। চাকরির ইন্টারভিউ এমন একটি জায়গা যেখানে প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী ও চৌকস ব্যক্তিরাও মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে যান। যতই স্মার্ট, মেধাবী ও যোগ্য চাকরি প্রত্যাশী হোন আপনাকে ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি নিতেই হবে। ইন্টারভিউয়ে আপনার দক্ষতা উপস্থাপন করতে হবে। এবং আপনি প্রথম সুযোগে দক্ষতার ছাপ রাখার যে সুযোগ পাবেন দ্বিতীয়বার সে সুযোগের সম্ভাবনা থাকবে না। কিভাবে ইন্টারভিউ দিয়ে সফলতার সাথে চাকরি পাওয়া যায় সেই সম্পর্কেও অনেকেরই ধারণা নেই। ফলে খুব সহজেই পাওয়া যেতো এমন চাকরির সুযোগও হারাতে হয় অনেকেরই। তাই ইন্টারভিউয়ে নিজের দক্ষতা প্রদর্শন করার জন্য কিছু কৌশল আয়ত্ত করে নিন। যা আপনাকে সাফল্যের পথে অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

১। কোম্পানি সম্পর্কে জানুন
প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানেরই নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকে, সেখানে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করুন। তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে। প্রতিষ্ঠানটির কি ধরণের কাজ করে, তাদের উদ্দেশ্য কি এবং কোন পদের জন্য তাঁরা আপনাকে ডেকেছে, সেই পদের কাজ কি এগুলো আগে থেকেই জেনে যাওয়া ভালো। তাহলে ইন্টারভিউতে গিয়ে ঘাবড়ে না গিয়ে আত্মবিশ্বাসের সাথে উত্তর দিতে পারবেন। ইন্টারভিউ বোর্ডে কে কে থাকেন, তারা কি ধরনের প্রশ্ন করেন তা জেনে নিন। তাতে প্রস্তুতি নিতে সহজ হয় এবং আত্মবিশ্বাস আরো দৃঢ় হয়। আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কোম্পানির বেতন কাঠামো সম্পর্কে জানা, ফলে ইন্টারভিউ তে “কত বেতন চান?” এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস অদ্ভুত কোন অংক বলে বসবেন না।

২। সময়ানুবর্তিতা
আপনার চাকুরীর ইন্টারভিউতে দেরী করবেন না। বরং, ১0-১৫ মিনিটে আগে পৌঁছানোর চেষ্টা করুন যেন প্রথম আপনি স্থায়ীভাবে বসতে পারেন, কাগজে কলমে পূরণ এবং আপনার ইন্টারভিউ এর আগে মানসিক প্রস্তুতি নিতে পারেন।

৩। পোশাক নিয়ে সচেতন হোন
আপনার ইচ্ছা মতন পোশাক-পরিচ্ছদ এখন ইন্টারভিউতে অনুমোদিত নয়। আপনি কোন ধরনের পোশাক পরিধান করে ইন্টারভিউয়ের মুখোমুখি হবেন এটা জানা অতি আবশ্যক কেননা এই ধাপটাই আপনাকে একজন ভালো প্রার্থী হিসেবে পরিচিতি দেবে। স্যুট-টাই পরে যেতে পারেন। কোনো পোশাক কোম্পানির বিধিবহির্ভূত হলে আপনি বিবেচিত নাও হতে পারেন। যদি সম্ভব হয়, ইন্টারভিউয়ের আগেই সেই কোম্পানির ‘ড্রেসকোড’ জেনে নিন।

৪। আপনার সম্পর্কে বলুন
এই প্রশ্নটি চাকরিদাতাকে আপনার পরিচয়, আগে কী কাজ করেছেন ইত্যাদি জানতে সাহায্য করে। এর মাধ্যমে আপনার ওপর প্রতিষ্ঠান কতটুকু নির্ভর করতে পারবে তা বোঝার চেষ্টা করেন চাকরিদাতা। তাই এ প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতে আপনার পারিবারিক পরিচয়, পড়াশোনা, চাকরি সংশ্লিষ্ট কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরুন। আর সর্বোচ্চ তিন মিনিট কথা বলুন এ ব্যাপারে। কারণ এর বেশি বলতে গেলে আপনি হয়তো অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ের অবতারণা করতে পারেন।

৫। যত্ন নিয়ে উত্তর দিন
প্রশ্নকর্তা আপনাকে এমন কিছু প্রশ্ন করবেন যেটার সাথে আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পৃক্ত থাকতে পারে। আপনাকে এক্ষেত্রে চতুরতার সাথে আপনার অতীত ইতিহাস বিবেচনা করে উত্তর দিতে হবে। উত্তর অবশ্যই যত্ন নিয়ে বলতে হবে। যদি আপনি যথার্থ উত্তর না দিতে পারেন তাহলে শুধু আপনারই উত্তরই ভুল হবে না, আপনার দক্ষতা ও যোগ্যতা প্রদর্শনের সুযোগটাও হাতছাড়া হয়ে যাবে।

৬। বেতন নিয়ে আলোচনা
ইন্টারভিউ এর শেষে যখন চাকরিদাতারা বেতন নিয়ে আলোচনা করবেন, তখনি বেতন নিয়ে আলোচনা করুন। এর আগে নিজে থেকে কিছু না বলাই ভালো। বেতন নিয়ে কথা বলার সময় বুঝে নিতে চেষ্টা করুন তারা আপনাকে নিতে চাচ্ছে কিনা। যদি আপনার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হন যে তারা আপনাকেই নিচ্ছে, তাহলে আপনার প্রত্যাশিত বেতন সম্পর্কে বলুন। আগেই বলেছি কোম্পানিতে বেতন সম্পর্কে ইন্টারভিউ এর আগে খোজ খবর নেয়ার কথা, তাই মাথায় রাখবেন আপনার চাওয়ার সাথে কোম্পানির ওই পদের জন্য বেতনে যেন ব্যাপক ব্যবধান না হয়। বেতন নিয়ে আলোচনার সময় আত্মবিশ্বাস এর সাথে আপনার গুণ বা অর্জনগুলো উল্লেখ করুন। হিসেবে কাজের প্রতি যে আপনি অনেক নিষ্ঠাবান তা বলুন।

৭। মার্জিত ভাষা ব্যবহার করুন
ইন্টারভিউ বোর্ডে আপনাকে পেশাদার ও মার্জিত ভাষা ব্যবহার করতে হবে। অপয়োজনীয় কথা এড়িয়ে চলুন। অশ্লীল ভাষা ও বয়সের রেফারেন্স, জাতি, ধর্ম, খেলা, রাজনীতি অথবা যৌনতার বিষয়ে সাবধানে কথা বলুন। এসব বিষয়ের আলাপ খুব দ্রুত আপনাকে দরজার বাইরে পাঠিয়ে দেবে।

interview-2

৮। ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ বা অর্জন সম্পর্কে বলুন
এই প্রশ্নটি অন্য আরো কিছু নতুন প্রশ্নের দ্বার খুলে দেয় এবং প্রার্থীকে একটি নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নিজেকে ব্যাখ্যা করার সুযোগ করে দেয়। চাকরিদাতা অতিরিক্ত প্রশ্নও করতে পারে যেমনঃ এই অর্জনের সময় আপনি কোন পদের দায়িত্বরত ছিলেন? এর ফলে ঐ কোম্পানির বৃদ্ধির উপর কী ধরনের প্রভাব পড়েছিল? আর কে কে আপনার সাথে ছিল এবং এই অর্জন আপনার দলের উপর কী ধরনের প্রভাব ফেলেছিল? একটি নির্দিষ্ট অর্জন নিয়ে কথা বললে খুব সহজে অতিরিক্ত তথ্য এবং প্রার্থীর ব্যাপারে আরো ভালভাবে জানা যায়। বিশেষ করে তাদের কাজের অভ্যাস এবং তারা কীভাবে অন্যদের সাথে কাজ করে সে ব্যাপারে।

৯। ভুল করে কিছু বলা
এই ভুলগুলো নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হলেও, মানুষ প্রায়ই এগুলো করে থাকে। মানুষ দূর্ঘটনাক্রমে ভুল জিনিস বা ভুল ধারণা করে থাকে, কোন কোন ক্ষেত্রে কাউকে ছোট দেখানো অথবা হেয় প্রতিপন্ন করার মতো ভুলগুলো করে থাকে।এই ধরনের যেকোন একটি ভুল আপনাকে নিক্ষেপ করতে পারে ইন্টারভিউ এর বাইরে। সুতরাং যথাসম্ভব বুদ্ধিমত্তার এবং বিবেচনার সাথে সাথে আপনি যা বলছেন তার প্রতি মনোযোগ দিতে হবে।

১০। মুঠো ফোন এর বাজনা
আপনার ফোনটি বন্ধ কিনা ইন্টারভিউ এর পূর্বে তা নিশ্চিত করুন। ইন্টারভিউ এর সময় মুঠো ফোন এর বাজনা শোনার মতো বিরক্তিকর আর কিছুই নয়।

১১। আপনার চাহিদা প্রদান
ইন্টারভিউতে যদি এমন হয় আপনি বেকার ও চাকরী খুঁজছেন (বা চাকরির সুযোগ খুঁজছেন), সেক্ষেত্রে আপনার কাছে কোনো চাবি নেই। অতএব, ইন্টারভিউতে আপনার কোন দাবী তুলে ধরা উচিত নয়। তারা আপনাকে উপহাস করবে এবং সম্ভবত আবার আপনি আর কল নাও পেতে পারেন। ব্যক্তিমাত্রই সহমর্মী সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করতে চান; সন্দেহজনক এবং জটিল মানুষের সাথে না।

১২। প্রশ্ন করুন

ইন্টারভিউ বোর্ডে প্রশ্নকর্তা শেষে যখন প্রার্থীকে বলেন ‘আপনার কোন প্রশ্ন আছে?’ এক্ষেত্রে অধিকাংশ চাকরিপ্রার্থী বলেন ‘না।’ এটা অনেক বড় একটা ভুল। ইন্টারভিউয়ে ভালো করতে হলে প্রশ্ন করার মানসিকতা রাখতে হবে। আপনার যে ঐ প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে আগ্রহ আছে আপনার ক্ষুদ্র প্রশ্নের মধ্যেই তা ফুটে উঠবে। শুধু একটা প্রশ্নের মাধ্যমেই আপনার কাঙিক্ষত চাকরিটি পেয়ে যেতে পারেন। তবে সবচেয়ে উৎকৃষ্ট প্রশ্নটি আসবে তখনি যখন ইন্টারভিউয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগের সাথে প্রশ্নকর্তার কথাগুলো উপলব্ধি করবেন আপনি।

১৩। হাসিখুশি থাকুন
চাকরির ইন্টারভিউতে গিয়ে সব সময় হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন। কারণ হাসি খুশি থাকলে আপনাকে আত্মবিশ্বাসী দেখাবে। যারা ইন্টারভিউ নিচ্ছেন তাদের চোখের দিকে তাকিয়ে হাসি বিনিময় করুন। কথা বলার সময়েও চোখ নামিয়ে কথা না বলে সরাসরি তাকিয়ে কথা বলুন। ইন্টারভিউ দিতে শালীন ও পরিষ্কার পোশাক পরে যাবেন অবশ্যই।

১৪। আপনার যোগ্যতা জানিয়ে দিন
আপনি চাকরির পদটির জন্য কেনো যোগ্য সেটা নিজেই জানিয়ে দিন। জীবন বৃত্তান্তে জানার চাইতে আপনি আত্মবিশ্বাস নিয়ে জানালে সেটা বেশি কাজে দিবে। তাই আপনি এত আগে কোথায় চাকরি করেছেন, আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা কি, আপনি কেন চাকরিটির জন্য নিজেকে যোগ্য মনে করছেন সেটা নিজেই সুন্দর করে উপস্থাপন করুন।

১৫। আপনার দুর্বলতা প্রকাশ করবেন না

এ প্রশ্নের ক্ষেত্রে ‘আমার কোনো দুর্বলতা নেই’ এমন উত্তর কখনো দিবেন না। মানুষ হিসেবে আমাদের অবশ্যই কোনো না কোনো দুর্বলতা আছে। সুতরাং এ প্রশ্নে খারাপ লাগার কিছু নেই। আপনি সততার সাথে উত্তর দিন। এমন দুর্বলতার কথা বলুন, যা সংশ্লিষ্ট চাকরির সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কযুক্ত নয়।
আপনি অবশ্য কৌশলী হয়ে প্রশ্নটিকে ইতিবাচকও বানিয়ে ফেলতে পারেন। বলতে পারেন, আপনি অতিমাত্রায় বাস্তববাদী। এ ক্ষেত্রে দুয়েকটি উদাহরণ দিন। অতি বাস্তববাদীতা আপনাকে কিভাবে সমস্যার মুখোমুখি করেছিল তা উল্লেখ করুন। একই সাথে সে সমস্যা থেকে কিভাবে নিষ্কৃতি পেয়েছিলেন তা-ও বলুন।

১৬। মনোযোগ দিয়ে শুনুন
ইন্টারভিউয়ের শুরু থেকেই আপনার মনোযোগকে কেন্দ্রীভূত রাখতে হবে। কোনোভাবে মনোযোগ বিচ্ছিন্ন হতে দেবেন না। কারন আপনার ইন্টারভিউ যিনি নেবেন তিনি আপনাকে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ইশারায় বা ভাষায় অনেক কিছুই বলবেন। যদি আপনার মনোযোগ বিচ্ছিন্ন থাকে, কান খাড়া না থাকে তাহলে আপনি বড় ধরনের সুযোগ হাতছাড়া করে ফেলতে পারেন। আপনার সামনের ইন্টারভিউ গ্রহণকারীকে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে নিন। তিনি কী বলছেন সেটা শুনুন। এবার তার প্রত্যাশা অনুযায়ী আপনার নিজস্ব ভঙ্গিমায় উত্তর দেয়ার কাজ চালিয়ে যান। মনোযোগ দিয়ে শোনাটাও একটা গুরুত্ত্বপূর্ন দক্ষতার ব্যাপার।

১৭। খুব তাড়াতাড়ি বেতন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা
ইন্টারভিউতে বেতন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা উচিত নয়, এটা সম্ভবত আপনার সিদ্ধান্তের উপর নির্ণয় করা হয় একটি কোম্পানিতে কাজ করার সময়। অবশ্যম্ভাবীরূপে কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বেতন এবং সুবিধা আপনাকে জানানো হবে। কাজ খুঁজছেন এমন অনেক মানুষ আছে। শুধু টাকা চায় এবং কোম্পানী বা পেশা সম্পর্কে গ্রাহ্য করে না কেউ হিসাবে যদি আপনি সূচিত হন, তবে এটা দীর্ঘসুত্রিতায় আপনার বিরুদ্ধে কাজ করবে।

১৮। মিথ্যা তথ্য দিবেন না
যদিও চাকুরীর ইন্টারভিউতে এটি কমন যে আপনার জীবনবৃত্তান্ত বিস্তারিতভাবে ব্যাখা করবেন, তথাপি কোন মিথ্যা তথ্য প্রদান করা নিতান্তই ভুল। সততা একজন কর্মীর সবচেয়ে বড় গুণমান এবং একজন নিয়োগকর্তা ইন্টারভিউত আপনার সত্য ও সততাকে সম্মান করবেন। আপনি কোথাও কাজ না করে থাকলে এই ধরনের কিছু আছে বলে দাবি করবেন না।

১৯। নিজেকে জাহির করার চেষ্টা করবেন না
আচরণ ও মনোভাব ইন্টারভিউয়ের সফলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এখানে আত্মবিশ্বাস, পেশাদারিত্ত্ব ও বিনম্রতার সুন্দর ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। আপনি যদি প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি ভালো করার যোগ্যতাও রাখেন তারপরেও সেটা প্রকাশ করা যাবে না। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস ভালো ফল বয়ে আনে না। এটাকে দমিয়ে রাখুন।

২০। বিদায় নিন
ইন্টারভিউ শেষ হলে হাসি মুখে প্রশ্নকর্তাদের কাছ থেকে বিদায় নিন। জানিয়ে দিন তাদের সাথে কথা বলে আপনার কাছে ভালো লেগেছে এবং আপনি চাকরিটি করতে আগ্রহী। তবে অতিরিক্ত আগ্রহ প্রকাশ করবেন না। এরপর চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে ধন্যবাদ দিয়ে বের হয়ে আসুন।

আশা করি এই সাধারণ টিপসগুলো চাকুরীর ইন্টারভিউ পর্বে আপনাকে সাহায্য করবে। ইতিমধ্যেই আপনি হয়ত একটি চমৎকার ইন্টারভিউ পর্ব অতিক্রম করেছেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সবসময় একটি ভালো ইন্টারভিউ নাও হতে পারে। এই ক্ষেত্রে, আপনাকে আপনার জীবনবৃত্তান্ত এবং তথ্যসূত্রের উপর ফোকাস করা আবশ্যক। আর জীবনবৃত্তান্তে সবসময় সত্য কথা লিখবেন। কারণ সত্যটা আজ বা কাল বেরিয়েই আসবে। কোন বিষয়ে ধারণা পরিষ্কার করে নিতে ইন্টারনেট খোঁজ করুন, পড়াশুনা করুন। তাতে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে অনেক। যা ইন্টারভিউর জন্যে খুবই প্রয়োজন।

Afrin Mukti

Afrin Mukti

Afrin complete her MBA in marketing, beside this she love music and read lots of books. She also write about online marketing, Bangladesh fashion trend and anything that interested her. She is very dynamic and details oriented.
Afrin Mukti

Comments

লেখাটি পড়ে কেমন লাগলো ?

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY