প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দেশ থাইল্যান্ড

0
742
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দেশ থাইল্যান্ড
Rate this post

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক। বিশ্বের অন্যতম ট্যুরিস্ট ডেস্টিনেশন হওয়ায় পর্যটকদের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক ও এর দ্বীপ পাতায়া। থাইল্যান্ডের পূর্ব-উপকূলে থাইল্যান্ড উপমহাসাগর ও পশ্চিমে আন্দামান সাগর। উপমহাদেশ তো বটেই সারা বিশ্ব থেকে এখন থাইল্যান্ডে বেড়াতে আসেন অসংখ্য দর্শনার্থী।

বিশ্বের অন্যতম সুন্দর থাইল্যান্ডের কোথায় কোথায় ভ্রমন করবেন এবং কিভাবে করবেন তার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলঃ

কেন যাবেনঃ

প্রাকৃতিক রূপলাবণ্যের ও আধুনিকতায় শীর্ষে থাকা থাইল্যান্ডে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান রয়েছে, যা আগত দর্শনার্থীদের ব্যাপক আনন্দ দেয়। গ্রীষ্ম, বর্ষা ও শীতকালের তিনটি ঋতুতে সারা বছর পার হয়ে যায়। অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এ দেশের সমুদ্রসৈকত, ভূদৃশ্য তদুপরি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যসংবলিত থাইল্যান্ড বিশ্বের পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়।

কিভাবে যাবেনঃ

ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য অবশ্যই থাইল্যান্ডের অ্যাম্বাসিতে একটি আবেদন করতে হবে। ভিসা প্রসেসিং তেমন একটা কঠিন নয়। বাংলাদেশ থেকে সহজে থাইল্যান্ড যাওয়ার জন্য এয়ার বা বিমানে করে যেতে হবে। থাইল্যান্ড অ্যাম্বাসি আপনার সার্বিক দিক বিবেচনা করে আপনাকে ট্যুরিস্ট ভিসার অনুমোদন দেবে।

ভিসা আবেদন যেভাবে করবেনঃ

থাই দূতাবাস সরাসরি ভিসা আবেদন গ্রহণ করে না। ভিসা আবেদন করতে হবে ভিএফএস এর থাই ভিসা আবেদন কেন্দ্রের মাধ্যমে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, এবং সিলেটের ভিসা আবেদন কেন্দ্রে জমা পড়া আবেদনগুলো যাচাই বাছাই করে থাই দূতাবাস, এখানে ভিএসএস এর কোন ভূমিকা নেই। অনলাইনে ভিসা আবেদন ফরম পূরণ করার পর পূরণকৃত ফরমের প্রিন্টেড কপি প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ভিসা আবেদন কেন্দ্রে জমা দিতে হবে। আবার ওয়েবসাইট থেকে ফরম ডাউনলোড করে সেটার প্রিন্ট আউট নিয়ে হাতে পূরণকৃত ফরম প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ভিসা আবেদন কেন্দ্রে জমা দেয়া যায়। স্বাভাবিকভাবেই হাতে পূরণ করে না দিয়ে সময় নিয়ে সাবধানে অনলাইনে ফরম পূরণ করে দিলে ভুল হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে। ভিসা আবেদনপত্র পুরোপুরি পূরণ করতে হবে এবং আবেদনকারীর সাক্ষর অবশ্যই থাকতে হবে।

কোথায় কোথায় ভ্রমন করবেনঃ

  • আন্ডার ওয়ার্ল্ড পাতায়া
    নাম দেখেই বুঝতে পারছেন সমুদ্রের তলদেশের জীবনযাপন। এটি সমুদ্রের তলে স্থাপিত আধুনিক এ্যাকুরিয়াম। সমুদ্রের তলদেশে বিশাল টানেলের ভিতর দিয়ে আপনি হাটবেন আর শার্ক ছুটে আসবে আপনি গিলে খেতে। আপনি আর শার্ক মাঝখানে ব্যবধান সামান্য একটা কাচের দেয়াল। ভাবুন তো কেমন এক্সাইটিং হবে ব্যাপারটা?
  • thai-1

  • নং নচ ট্রপিক্যাল গার্ডেন
    এটাই নাকি দক্ষিন এশিয়ার সবচেয়ে সুন্দর বাগান। নানা প্রকার সুলভ এবং দূর্লভ বৃক্ষরাশির দেখা মিলবে এখানে। নিয়মিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ছোট চিড়িখানা এবং থাইল্যান্ডের হাতির গেমন সো উপভোগ করতে পারবেন।
  • মিনি সিয়াম
    পৃথিবীর শুরু থেকে এখন পর্যন্ত স্থাপিত ঐতিহাসিক এবং বিখ্যান স্থাপনার সংস্করণ নিয়ে সাজানো হয়েছে পৃথিবীর ভিতরে ছোট্ট আরেকটা পৃথিবী।
  • পাতায়া এলিফ্যান্ট ভিলেজ
    সাদা হাতির দেশ থাইল্যান্ড। থাইল্যান্ড এসে হাতি না দেখে ফিরতে না চাইলে ঘুরে আসুন এলিফ্যান্ট ভিলেজ থেকে। এটি অবশ্য পাতায়া মূল শহর থেকে দূরে অবস্থিত।
  • মিলিয়ন ইয়ারস স্টোন পার্ক
    রুপকথার সেই গল্পটা মনে আছে? একটা গ্রামের সব কিছুই পাথরে পরিণত হয়। এইটা সেই গ্রাম।
  • স্কাইট্রেন
    স্কাইট্রেনকে থাইল্যান্ডবাসীরা চেনে বিটিএস নামে। শুধু ট্রেন চলাচলের জন্য রাস্তার উপর ফ্লাইওভার করা। ব্যাপারটা এমন যে, আকাশপথে ট্রেনযাত্রা।
  • সিয়াম সেন্টার
    সিয়াম সেন্টারে বিশ্বের বিখ্যাত সব ব্রান্ডের বিপনিবিতান। কি নেই এখানে। বিখ্যাত ব্রান্ডের পারফিউম, সু থেকে শুরু করে দামী ব্রান্ডের বিলাসবহুল গাড়ী। চকচকে শপিং মল, চৌকস বিপনী কর্মী, ব্রান্ড সম্বলিত পণ্য। সিয়াম সেন্টারের একদম নিচ তলায় সিয়াম ওশেন ওয়ার্ল্ড। উপর থেকে মনে হয় সমুদ্রের নিচে দর্শনার্থীরা হেটে চলে বেড়াচ্ছে। এমনভাবে সবকিছু সাজানো যে মনে হবে সমুদ্রের প্রাণীগুলো জীবন্ত। অনেকটা মাদাম তুসো যাদুঘরের মতো। দেখে মনে হবে ইয়া বড় অক্টোপাস আপনার দিকে তেড়ে আসছে। হাঙরের ভয়ংকর বিশাল হা করা মুখের ভিতরে বসে কত সহজেই না ছবি তোলা যায়। ওশেন ওয়ার্ল্ডের সাথেই ৫টি সিনেমা হল।
  • thai-8

  • Chao Praya রিভার ক্রজ
    ঢাকা যেমন বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। থাইল্যান্ডের রাজধান ব্যাংককও Chao Praya নদীর তীরে অবস্থিত। Chao Praya নদীকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে ব্যাংকক জনপদ, পর্যটনশিল্প। ব্যাংককের মূল আকর্ষণ Chao Praya রিভার ক্রজ। রিভার ক্রজের জন্য নির্দিষ্ট কমপ্লেক্সে আসা মাত্রই রাজকন্যাবেশি সুন্দরী থাই রমনী প্রত্যেকের বুকে রিভার ক্রজের ব্যাচ লাগিয়ে, প্লাস্টিকের ফুল দিয়ে অভ্যর্থণা জানায়। পাশে দাড়িয়ে মিষ্টি হাসি দিয়ে ছবি তোলে। রিভার ক্রজে বসেই ব্যাংককের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যশিল্প আর আধুনিক স্থাপত্যের সাথে পরিচয় হয়ে যাবে। পর্যটকদেরকে আকর্ষণ করতে স্থাপত্যভবনগুলোর আলোসজ্জার মাধ্যমে তা আরো বর্ণিলভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ব্যাংককের মূল আকর্ষণ ডন মন্দির, বৌদ্ধ মন্দির, প্রাচীন রাজধানীর ব্যাং খুনপ্রোম প‌্যালাস, আকাশচুম্বী পাঁচ তারকা হোটেলের আলোক প্রতিবিম্ব নদীর বুকে আরেকটা ভাসমান আলোর প্রাসাদ তৈরি করেছে। Chao Praya নদীর মৃদমন্দ হাওয়ায় ফুরফুরে মেজাজে সুস্বাদু খাবার খেতে খেতে উপস্থিত শিল্পীর গানের সুরে মনভোলানো রোমান্টিক পরিবেশ। রিভার ক্রজের এই আনন্দময় সন্ধ্যার স্মৃতি অনেকদিন মনে থাকবে।
  • thai-5

  • সাফারি ওয়ার্ল্ড
    ব্যাংককের এই সাফারি ওয়ার্ল্ডে এরকম নিত্যনতুন অভিজ্ঞতা। খুব সহজেই এই সাফারি ওয়ার্ল্ডে পরিপূর্ণ বিনোদনে একটা দিন কাটিয়ে দেওয়া যায়। সাফারি ওয়ার্ল্ডের শুরুতেই ম্যারিন পার্ক। পাখিদের রাজ্য। পৃথিবীর সব রকম পাখিদের মিলনমেলা। এই পাখির রাজ্যে লম্বা লেজবিশিষ্ট বাহারি রঙের পালকে সজ্জিত টিয়া পাখির ন্যায় ঠোটের ম্যাকাও পাখি। এটা এতো বড় যে একটি দিনের কিছু অংশে সম্পূর্ণ ঘুরে দেখা সম্ভব নয়।
  • thai-2

  • কেনাকাটা
    হুমায়ুন আহমেদের কোন এক ভ্রমণ গল্পে পড়েছিলাম, একবার নাটকের শুটিং-এ তার দলবল নিয়ে থাইল্যান্ডে গেছেন। ওখানকার সাবানগুলো দেখে সবাই এতটাই মুগ্ধ যে যার কাছে যত বাথ ছিল সব বাথ দিয়ে শুধু সাবানই কিনে ব্যাগ ভর্তি করেছে। স্ট্রীটসপগুলোতেই মনোহর সাবানের দেখা মেলে। এগুলো স্থানীয়দের হাতে তৈরি সাবান। লাল,নীল, হলুদ নানা রঙের তারকাকৃত, ত্রিভুজাকৃতি, চতুর্ভুজাকৃত নানা আকারে নানা সুবাসের সাবান পাওয়া যায়। প্রথম দেখায় সাবানকে সাবান মনে হয় না। দেখে মনে হবে মোমের শোপিস অথবা চকলেট। সুপারশপ গুলো থেকে ফুটপাতের দোকানের সাবানগুলোর তুলনামূলক দাম কম। থাইল্যান্ডে যাওয়ার সময় কেনাকাটার ক্ষেত্রে পরামর্শ হল, যা কেনার ব্যাংকক থেকেই কিনতে। এখানে পণ্যের দাম তুলনামূলক কম। ব্যাংককের দিন আর রাতের জীবনযাত্রা দিন-রাতের মতোই আলাদা। সন্ধ্যা নামতে নামতেই অফিস-আদালত, বড় বড় শপিং মলের দরজা বন্ধ হয়ে যায়। রাত যত বাড়তে থাকে বারগুলোর দরজায় লোভনীয় বিজ্ঞাপনের নিয়ন আলো আরও বেশি প্রসারিত হয়, রাস্তার মোড়ে মোড়ে বারবণিতাদের ভিড় বাড়তে থাকে, শপিং কমপ্লেক্সের সামনে ফুটপাত ভ্রাম্যমান/অস্থায়ী দোকানগুলোর দখলে চলে যায়। ফুটপাতের পণ্যের মান খারাপ না। পুরানো ফ্যাশানের পোশাকগুলো পাইকারীতে ফুটপাতে বিক্রি হয়।
    কেনাকাটার জন্য থাইল্যান্ড খুবই ভালো দেশ। একটু সময় নিয়ে কেনাকাটা করলে, ভালো দামাদামী করতে পারলে থাইল্যান্ড থেকেই প্রাণভরে কেনাকাটা করতে পারবেন। পণ্যের মূল্যমান আমাদের দেশের প্রায় সমান। সবচেয়ে বড় ব্যাপার বিখ্যাত ব্রান্ডের পণ্যগুলো সুলভমূল্যে কেনা যায়।
  • thai-4

  • ট্রাফিক জ্যাম
    এতিদন আমার ধারণা ছিল ট্রাফিক জ্যামে আমরাই সেরা। ব্যাংককে জানতে পারলাম ট্রাফিক জ্যামে ব্যাংককও কোন অংশে কম নয়। আর হবেই বা না কেন। সমগ্র থাইল্যান্ডের এক তৃতীয়াংশ লোকই এই রাজধানী শহরে বাস করে। অর্থনৈতিকভাবে খুব অল্প সময়ে ব্যাংকক উন্নতি করায় এখানকার মানুষের জীবনযাত্রারও ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। প্রায় প্রতিটা পরিবারই নিজস্ব পরিবহনের মালিকবনে গেছেন। ফলাফল, ব্যাংকক শহরে পর্যাপ্ত রাস্তা, উড়ালসেতু, ফ্লাইওভার, গণপরিবহন, স্কাইট্রেন থাকা সত্বেত্ত তা নিজস্ব পরিবহনের ভীড়ে পর্যাপ্তও অপর্যাপ্ত। থাইল্যান্ডে ট্রাফিক যথেষ্ট কড়া। এরা লালবাতি, হলুদবাতি দেখে গাড়ি চালায়। ওভারটেক করে না। ফাকা রাস্তায় লালবাতি জ্বলা থাকলে গাড়ি দাড়িয়ে যায়। আর হলুদ বাতির অপেক্ষায় থাকে। ঠিক কত সময় সিগন্যালে দাড়িয়ে থাকতে হবে তা সিগন্যাল লাইটের পাশের সাইডস্ক্রীনে কাউন্ট ডাউন হতে থাকে।
  • থাই নারী-পুরুষ
    থাই নারীরাই থাইল্যান্ডের চালিকাশক্তি। দোকান-পাট, রেস্তোরা, বার, আতিথেয়তা সর্বত্রই থাই নারীরা পরিচালনা করছে। রাস্তাঘাটে যে পরিমাণ থাই নারী চোখে পড়ে সে পরিমাণ থাই পুরুষের দেখা মেলে না। অন্য সব পেশা বাদ দিয়ে থাই পুরুষরা শুধু গাড়ীর ড্রাইভার আর দালালী পেশাকেই পুরুষোচিত পেশা হিসেবে ধারণ করছে। অন্য সবক্ষেত্রেই থাই নারীরা সব। থাই নারীরা নিজেই পণ্য হচ্ছে আবার তারাই সকল কর্ম পরিচালনা করছে। থাইল্যান্ডে প্রচুর হিজড়া চোখে পড়বে। তারা অন্যদের মতোই স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে। আমাদের দেশের মতো সমাজের হেয় শ্রেণী হিসেবে গণ্য হয় না।
  • খাবার-দাবার
    ধরুন আপনি পাঁচদিনের ট্যুর প‌্যাকেজে থাইল্যান্ডে গিয়েছেন। খাবার প‌্যাকেজের ভিতরে অন্তর্ভুক্ত। তিন তারকা চার তারকা এই হোটেলগুলো সকল দেশের মানুষের খাদ্যভাস বিবেচনায় সার্বজনিন খাবার মেনু সেট করে। তাই হোটেলের খাবারগুলোতে আসলে দেশীয় খাবারের স্বাদ পাওয়া যায় না। দেশীয় খাবারের স্বাদ নিতে হলে স্থানীয় রেস্তোরায় ঢু মারতে হবে। আমাদের দেশের ভ্রাম্যমান চটপটি-ফুচকা, মাংসের চাপের দোকানের মতো ওদেশে রাস্তায় রাস্তায় প্রচুর ভ্রাম্যমান দোকান যেখানে শকুরের মাংস আর কী সব হাবিজাবি দেদারসে বিক্রি হচ্ছে।
    খাবার ভিতরে থাইল্যান্ডে সবচেয়ে সস্তা খাবার হলো এ্যালকোহলযুক্ত পানিয়। একটা বিয়ার ক্যান ২৬ বাথ আর হাফ লিটার মিনারেল ওয়াটার ৪৩ বাথ। আপনি তাহলে কোনটা খাবেন? এখানে বিভিন্ন স্বাদের জুস পাওয়া যায়। কয়েক স্বাদের জুস আছে। স্বাদ ভালো।
  • thai-3

  • ভাষা
    ভাষা বিড়ম্বনা কাকে বলে থাইল্যান্ডে এসে হাড়ে হাড়ে অনুভব করবেন। এরা না জানে ইংরেজী ভাষা, না জানে বাংলা। জানে শুধু থাই ভাষা। ওদের কথা আমরা বুঝি না। আমাদের কথা তারা বোঝে না। তারপরও ভাষা আসলে মনের ভাব প্রকাশে বাধা হতে পারে না।
  • শেষকথা
    শেষ করার আগে শুধু এইটুকুই বলি, থাই্ল্যান্ড সুন্দর তারচেয়েও সুন্দর আমার বাংলাদেশ। আমার দেশের সেন্টমার্টিনের যে সৌন্দর্য তার সাথে পাতায়া সৈকতের কোন তুলনা হয় না। বান্দরবানের নীলগিরির প্রকৃতির অকৃত্রিম সৌন্দর্য্য অতুলনীয়। প্রাকৃতিকভাবে আমরা যে সম্পদ পেয়েছি এগুলো রক্ষণাবেক্ষণ আর একটু সাজিয়ে তুলতে পারলে পর্যটনশিল্পে আমরা যেকোন দেশকেই হার মানাতে পারি। তবে বাইরের দেশের সৌন্দর্য পাওয়ার জন্য আপনি থাইল্যান্ড ভ্রমন করতে পারেন। আর আপনাদের ভ্রমনের সুবিধার্থেই আমার এই লেখা। আশাকরি আপনাদের উপকারে আসবে এবং পড়ে ভালো লাগবে।

    Afrin Mukti

    Afrin Mukti

    Afrin complete her MBA in marketing, beside this she love music and read lots of books. She also write about online marketing, Bangladesh fashion trend and anything that interested her. She is very dynamic and details oriented.
    Afrin Mukti

    Comments

    লেখাটি পড়ে কেমন লাগলো ?

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY