সাতদিনে ব্লগ লেখার দক্ষতা বাড়ানোর সহজ উপায়

0
562
সাতদিনে ব্লগ লেখার দক্ষতা বাড়ানোর সহজ উপায়
5 (100%) 8 votes

কেউ যদি কখনো ভালো লেখক হওয়ার স্বপ্ন দেখে থাকে তাহলে সে আমার মতোই একজন হবে। বহু বছর আমি বিভিন্ন টুকরো টুকরো কাগজে লিখেছি। তারপরও আমার মনে হয়েছে লেখার দক্ষতা কে উন্নত করা উচিত। এটা বড় কোন ব্যাপার না যে কত বছর ধরে আমরা লিখছি। এভাবেই একদিন আমি বিষ্ময়কর পরিকল্পনা তৈরী করলাম কি ভাবে এক সপ্তাহে লেখার দক্ষতা কে উন্নত করা যায়। সেই পরিকল্পনাটি আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব। এই পরীক্ষার মধ্যে আমি একটি জিনিস শিখেছি তা হল আমার ভালোর জন্য যা দরকার তা আমাকে উন্নত করতেই হবে। যদি আপনি এক সপ্তাহে ব্লগ লেখার দক্ষতায় শিক্ষক হতে চান তাহলে নিম্ন লিখিত তথ্য গুলো পড়তে হবে এবং মন থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে।

প্রথম দিন সোমবার

একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিসের সঙ্গে আমাদের সপ্তাহটি শুরু করতে পারি, আর তা হলো- নিখুঁত ব্লগ লেখা যে একটি শিল্প তা বুঝতে হবে। অবশ্যই এই কথা ঠিক যে, একটি উচ্চ মানের ব্লগ পোস্ট লিখতে হলে, আমাদের কে তার মূল উপাদান বুঝতে হবে। এর জন্য তথ্য খুঁজতে হলে ইন্টারনেটের গভীরে যেতে হবে, নয়তো Omni Papers দ্বারা লিখিত ব্লগের লেখা সম্পর্কে জানতে হবে।
সংক্ষেপে বলা যায় যে, প্রত্যেক ব্লগের পাঁচটি প্রধান উপাদান রয়েছে। যা নিচে আলোচনা করা হলোঃ

(০১) একটি আকর্ষণীয় ধারণা

আমদের কে পাঠক বিশ্লেষণ করতে হবে, তাদের স্বার্থ সম্পর্কে জানতে হবে যা পাঠকেদের জন্য খুবই উপকারী হতে পারে। একজন ভালো লেখক লেখার পরিমানের তুলনায় মান কে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন, যেন তার লেখার শেয়ার, পছন্দ এবং পাঠক সংখ্যা বেশী হয়।

(০২) আকর্ষণীয় ও বর্ণনামূলক শিরোনাম

আমাদের পাঠকদের সংখ্যা বাড়াতে হলে ব্লগে অবশ্যই আকর্ষণীয় ও বর্ণনামূলক শিরোনাম প্রদান করতে হবে। মানুষ দাবী করে যে একটি ভাল শিরোনাম যে কোন ব্লগ পোস্টের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আমাদের একটি ভালো শিরোনাম পাঠকদেরকে পুরো লিখাটি পড়তে বাধ্য করবে।

(০৩) ভুমিকা উপস্থাপন

মূল বিষয় বস্তুর উপর একটি সুন্দর ভূমিকা লিখতে হবে আমাদের পাঠকদের মনোযোগ ধরে রাখতে চাইলে। কিছু পরিসংখ্যানগত তথ্য ও উদ্ধৃতি যোগ এবং একটি বিতর্কিত বিবৃতি দিয়ে দর্শকদের আংটার মতো আটকে রাখতে হবে।

(০৪) মিডিয়া কনটেন্ট ব্যবহার

পাঠকদের আরও ভাল ভাবে বুঝতে সাহায্য করতে চাইলে প্রয়োজনে মিডিয়ার বিষয় বস্তু ব্যবহার করতে পারি। এখানে অনেক কিছু দেখার বিষয়বস্তু রয়েছে যেমনঃ চিত্র, চার্ট, ইনফোগ্রাফিক, ভিডিও, ফটো, ইত্যাদি। ছবির স্টক থেকে প্রাসঙ্গিক চিত্র খুঁজে বের করে অথবা নিজে তৈরি করে তা ব্যবহার করতে পারি।

(০৫) পাঠযোগ্যতা উন্নত করা

একটি সহজ নিয়ম আছে যা প্রত্যেক লেখকই জানেন। পাঠকদের কে সর্বপ্রথমে স্থান দিতে হবে। যখন আমরা একটি নিবন্ধন লিখবো তার পাঠযোগ্যতা বৃদ্ধি সম্পর্কে চিন্তা করতে হবে। চেষ্টা করতে হবে সহজ, সাবলীল শব্দ ব্যবহার করা, ছোট ছোট বাক্য এবং প্যারাগ্রাফ লেখা, সহজ শিরোনাম যোগ করা এবং তালিকা তৈরী করার। উপরোক্ত বিষয় গুলো ছাড়াও প্রাসঙ্গিক উদ্ধৃতি এবং লিঙ্ক, টিপস এবং ছোট ছোট পরামর্শ, উপসংহার এবং সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করার সুযোগ ও থাকতে হবে।

দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার

এটা খুবই ভালো একটি বিষয়, যদি আমরা জানি যে কি ভাবে একটি যুক্তি সম্মত এবং তথ্য বহুল ব্লগ পোষ্ট লিখতে হয়। এছাড়াও যদি জানি যে কি ভাবে বিষয় বস্তু কে আকর্ষণীয় করে তৈরী যায় তবে তা খুবই ভালো। এই প্রশ্নের উপরে মঙ্গলবার কে উৎসর্গ করতে পারি যে কি ভাবে আমরা আমাদের লিখা কে আরো বেশী আকর্ষণীয় করা যায়-
নিম্নে পাঁচ টি ভুল আলোচনা করা হলো যা সাধারনত লেখকগণের হয়ে থাকেঃ

(১) কোনরকম পাঠক বিশ্লেষণ না করা

যেহেতু আমি আগেই বলেছি যে, পাঠকের চাহিদা সম্পর্কে আমাদের জানতে হবে। তাই পাঠকের মনোযোগ দখল করে নিজের আয়ত্তে আনতে হলে অবশ্যই পাঠক বিশ্লেষণ করতে হবে।
উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে একটি লেখা যদি ব্যবসায়ীদের জন্য লেখা হয় আর সেখানে কোন চিহ্নই থাকলো না তাদের নিয়ে তাহলে তারা সেটা পড়বে না।

(২) জটিল বাক্য ব্যবহার করা

একই লেখা বুঝার জন্য চার পাঁচ বার যদি পড়তে হয় তা খুবই কঠিন ব্যাপার। আর এই ধরনের লেখা বেশীর ভাগ মানুষই এড়িয়ে যান। সুতরাং এটা ভালো হবে যে, লেখাকে কয়েকটি অংশে ভাগ করে লিখি। যেমনঃ (সংক্ষিপ্ত, অনুচ্ছেদ এবং বাক্য, সহজ শব্দ)।

(৩) অনেক ক্ষেত্রেই পণ্যের বিজ্ঞাপন না করা

যদিও লেখকগণ তাদের পণ্যের বিজ্ঞাপণ প্রচার বা সেবা প্রচার করতে চান কিন্তু তা তারা তাদের লেখায় এটা করার চেষ্টা করেন না। একথাও ঠিক যে, মানুষ ওয়েবে বিজ্ঞাপন, গুগলে বিজ্ঞাপন, ব্যানার এবং ভিডিও সর্বত্রই বিজ্ঞাপণে বিরক্ত হোন। বিজ্ঞাপণে পাঠক কে লেখার আকর্ষনীয়তার সম্পর্কে বলতে হবে, বিক্রির কথা বলা যাবে না।

(৪) উদাহরণের অভাব

যখন আমরা একটি ব্লগ লিখি তখন কোন সন্দেহ নাই যে সর্ব শ্রেষ্ঠ উদাহরণ আমরা আমাদের পয়েন্ট অফ ভিউ থেকে দিয়ে থাকি। উদাহরন- আমরা বিভিন্ন সূত্র থেকে দিতে পারি। উদাহরন ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে হতে পারে বা কাল্পনিক পরিস্থিতিতে হতে পারে যা কিনা লেখায় আরোও আকর্ষণীয় করে লিখতে পারি।

(৫) প্রতিলিপি সংশোধন না করা

সকল মানুষই ভুল করে থাকে এবং এটা একটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। তারপরও যেহেতু একজন পেশাদার লেখককে মূদ্রণ, ব্যকরণ এবং বানান গত ভুল এড়িয়ে চলতে হয়। সুতরাং যখন লেখাটা সম্পূর্ণ হলো সময় নিয়ে প্রতিলিপি টা বার বার পড়তে হয়, তাতে সংশোধন হয়ে যাবে।

তৃতীয় দিন বুধবার

আধুনিক যুগে বসবাস করে আমাদের এটা শেখা প্রয়োজন যে কি ভাবে সর্বোচ্চটা পেতে পারি। আধুনিক যুগের লেখকেরা প্রতিদিন লেখার জন্য হস্তাক্ষরের বদলে যে গ্যাজেট ব্যবহার করে থাকে তা হলো ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট ইত্যাদি আধুনিক যন্ত্র। লেখার দক্ষতা বাড়াতে হলে প্রয়োজনীয় সহায়ক সরঞ্জাম ব্যবহার করা শুরু করতে হবে।

এখানে লেখকদের জন্য সেরা পদ্ধতিগত সরঞ্জামের একটি তালিকা নিয়ে আলোচনা করা হলোঃ

(১) শিরোনাম বিশ্লেষক পদ্ধতি

আমাদের অবশ্যই মনে আছে যে, শিরোনামটি আকর্ষনীয় হওয়া উচিত। একবার শিরনাম বিশ্লেষক ব্যবহার শুরু করে অনন্য এবং আকর্ষণীয় শিরোনাম উন্নত করতে পারি।

(২) এভারনোট পদ্ধতি

এটি খুব ভালো একটি পদ্ধতি সরঞ্জাম যা লেখার পদ্ধতিকে সংগঠিত করে থাকে। এর মাধ্যমে খসড়া, নোট এবং বিভিন্ন জিনিষ এক জায়গায় রাখতে পারি। এটি ব্যবহার, গ্রন্থে লিখে তাদের মক্কেল ও সহকর্মীদের সাথে আলোচনা এবং চূড়ান্ত খসড়া করতে উপস্থাপন করতে পারি।

(৩) ব্যকরণগত পদ্ধতি

এই পদ্ধতির মাধ্যমে আমরা লেখার ব্যকরণ এবং বানানগত ভুল বের করে তা মুছে ফেলতে পারি, প্রতিলিপি সংশোধন এবং প্রতিটি ব্যখ্যার ভুল ধরতে পারি। এই পদ্ধতির মাধ্যমে শুধু মাত্র লেখকরা যে উপকৃত হয় তা নয় সাধারন মানুষও এর দ্বারা উপকৃত হয়ে থাকে। লেখার দক্ষতা বাড়ানোর জন্য এটি একটি খুব সাধারণ উপায়।

(৪) হেমিংওয়ে পদ্ধতি

এই পদ্ধতিতে লেখার দক্ষতাকে বাড়াতে সাহায্য করে দরকারী টিপস দিয়ে যা পাঠযোগ্যতা উন্নত করে থাকে। এটি একটি সহজ পদ্ধতি। একটি কাঠামো গঠন করে লেখাটি তাতে দিয়ে বাটন পুশ করলেই টেক্সট বিশ্লেষণ হয়ে যায়। উপরন্তু এই পদ্ধতিতে শব্দের প্রতিশব্দও রয়েছে।

(৫) প্রতিলিপি নকল করন পদ্ধতি

আমরা যদি উন্নত মানের ব্লগার হতে চাই তাহলে পাঠকদেরকে অন্যন্য এবং মূল বিষয়বস্তু সরবরাহ করতে হবে। একটি উন্নত মানের পোষ্ট নির্ভর করে গবেষণার উপর এবং আমাদের কে শিখতে হবে কি ভাবে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে পুনর্লিখন বা উদাহরন ব্যবহার করতে পারি।

চতুর্থ দিন বৃহস্পতিবার

একদা এলানোর রুজভেল্ট বলেছিলেন, “অন্যদের ভুল থেকে শিক্ষা নাও “।
এটা খুব ভালো কথা যদি আমরা ভালো ব্লগ লিখতে পারি। তারপরও যারা সফল ব্লগ লেখক তাদের কাছ থেকে উৎসাহ নিতে হবে। ইতস্তত করে সময় নষ্ট না করে ভালো ব্লগের খোঁজে ইন্টারনেটের অতলে ডুব দিতে হবে। আসলে, অন্যান্য ব্লগারদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। আমরা শুধু মাত্র তাদের লেখাই পড়ি তা নয়, তারা আমাদের কাছ থেকে প্রতিউত্তরও পেয়ে থাকেন।

কিছু অনুপ্রেরণীয় গুরুর অভিজ্ঞতা শেয়ার নিচে করতে যাচ্ছি।

(১) ব্রায়ান ডিন

backlinko.com

এই ব্লগার তার ওয়েবসাইটে দরকারী টিপস এবং কৌশল তার পাঠকদের সাথে সঞ্চালিত করেন। এই ব্লগ পড়লে, আমরা বুঝতে পারবো কিভাবে আমাদের ওয়েবসাইটে ট্রাফিক বৃদ্ধি করতে পারি এবং আকর্ষণীয় বিষয় বস্তু খুঁজে পেতে পারি।

(২) নিল প্যাটেল

quicksprout.com

একজন পেশাদারী মার্কেটার। নিল প্যাটেল মানুষের আয় বাড়াতে সাহায্য করে। তাঁর লেখার দক্ষতা অধিক উচ্চ মান সম্পন্ন। যা আমাজন, এন হি সি, এইচপি, বিশাল ব্র্যান্ডের দ্বারা মূল্যায়ন করা হয়। তবে নিল পাঠকদের সাথে তার জ্ঞান ভাগ করেন, উদ্বুদ্ধ করেন আকর্ষণীয় এবং প্রয়োজনীয় বিষয় বস্তু সময় মতো বাজারজাত করতে।

(৩) ক্রিষ্টি হাইন্স

kikolani.com

তার বিভিন্ন ধরনের ব্লগ পড়ে থাকলে আমরা লক্ষ্য করি যে, এই ব্লগার একটু অন্য ধরনের। উনি লিখতে এত ভালোবাসেন যে তার ব্লগের অসাধারন বিষয় বস্তু পাঠকগন কে মনোযোগী করে রাখে। তার লেখার ধরন এতো সুন্দর যে আমরা ঘন্টার পর ঘন্টা তার লেখা পড়তে ব্যয় করে থাকি। আমরা যদি অনুপ্রানিত হতে পারি তবে তার কাজ কে অনুসরণ করতে হবে।

(৪) লিও বাবাউটা

।zenhabits.net

এই ব্লগার যখন ব্লগের জগতে আসছেন একশনেব্যল জটিলতায় পড়ে গিয়েছিলেন। আর উনি তা জানতেন এবং তার পাঠকদের কে অনেক বিষয়বস্তু দিয়েছেন। পাঠক এই বিষয়বস্তু উন্নত করতে চাইলে বা নতুন কিছু শিখতে চাইলে, লেখার ধরন উন্নতি করতে চাইলে লিও এর ব্লগ পড়া শুরু করতে হবে।

(৫) জেমস কার্টেন্ড

menwithpens.ca

কার্যকর কপিরাইটিং কি এটা কি আমরা জানি? যদি উত্তর না হয় তবে অনেক বছর ধরে আকর্ষণীয় নিবন্ধন যে লিখছে সে হলো জেমস তাকে জিজ্ঞাস করা যেতে পারে। একবার আমরা তার ব্লগ পড়া শুরু করলে তা বন্ধ করতে পারিনা।

পঞ্চম দিন শুক্রবার

আজকাল প্রতিদিনই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহৃত হচ্ছে, যেন খুব সহজেই বন্ধু, আত্নীয়দের সংস্পর্শে থাকা যায়, চিন্তা ভাবনা এবং বিনোদন বিনিময় করা যায়। বর্তমানে বাজারজাত করণ মাধ্যম একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজারজাতকরণ যন্ত্র। এটা খুব ভালো হবে যে, আমরাও আমাদের ব্যবসার জন্য সামাজিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করি। যদি আমরা আমাদের লেখার দক্ষতা উন্নত করতে চাই তাহলে পাঠকদের কাছ হতে প্রতিউত্তর পেতে হবে। সুতরাং আমআদেরকে সামাজিক মাধ্যম তৈরি করতে হবে পাঠকদের সংস্পর্শে থাকার জন্য, লিখাকে সহজেই উন্নত করতে হবে।

সামাজিক বাজারজাতকরণ মাধ্যম ব্যবহারের প্রধান পাঁচটি উপায় আলোচনা করা হলোঃ

(১) প্রতিদিন আকর্ষণীয় পোষ্ট তৈরী করতে হবে

আমরা যদি আমাদের শ্রোতাদের চাহিদা জানতে পারি, আমরা অসাধারন বিষয় বস্তু তৈরী করতে পারবো। প্রতিদিনের পোষ্ট পাঠকদের কে জড়িয়ে রাখে।

(২) বিশেষ সুযোগ প্রদান করতে হবে

আমাদের পাঠকগণ অন্যন্য এবং তাদের কে সর্বোচ্চ সুযোগ দিতে হবে। আমরা যদি পারি তবে পোষ্টে বিশেষ সুযোগ দিতে কৃপনতা করবো না। উদাহরনস্বরূপ বলা যায়ঃ মূল্য সাশ্রয়, প্রোমো কোড ইত্যাদি।

(৩) প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা

পাঠকদের সাথে সম্পর্ক তৈরী করতে হবে। একজন ভালো লেখক শুধু মাত্র লিখেই না মানুষের সাথে যোগাযোগও রাখেন। তাদের চিন্তা ভাবনা, বুদ্ধি এবং অন্তদৃষ্টি সম্পর্কে জানতেও চায়।

(৪) যোগাযোগের মাধ্যমে পাঠকদের কে জড়িত করা

একজন ভালো লেখক হতে হলে আমাদের নিজের লেখাকে বিশ্লেষণ করতে হবে। এভাবে আমরা প্রতিউত্তর পাবো। কমেন্ট এর দ্বারা আমরা পাঠকদের মতামত জানতে পারি।

ষষ্ঠ দিন শনিবার

আমরা সাফল্য অর্জন করার জন্য যথাসাধ্য করেছি। যদি আমরা একজন ভাল লেখক হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে থাকি, একবার নিচের তালিকাভুক্ত অভ্যাস গুলো দেখি এবং তাদের গুরুত্ব বুঝতে চেষ্টা করিঃ.

১০০ পৃষ্ঠা পড়ুন একদিনে।
১০০০ টি অক্ষর লিখুন একদিনে।
অনুপ্রেরণার উন্নতি সাধন।
লেখক গুরুর সংস্পর্শে থাকা।
সম্মেলনে মনোনিবেশ করা।

যদি আমরা মনে করি যে লেখার অভ্যাস গঠন করা একটি ভুল জিনিস, তাহলে সুপরিচিত লেখকের কাছ থেকে শিখতে পারি যিনি সফলঃ

(১) রায় ব্রাডব্যুরা

“আমার ভাবাবেগ আমাকে টাইপরাইটার এর দিকে ধাবিত করে জীবনের প্রতিটি দিন এবং তখন থেকে তারা ধাবিত করেছে যখন আমার বয়স বারো বছর। তাই আমি আমার সময়সূচী সম্পর্কে চিন্তা করি নাই ”

(২) আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

“আমি যখন একটি বই বা একটি গল্পের উপর কাজ করেছি, আমি যতটা সম্ভব খুব সকালের প্রথম আলোর সাথে লিখেছি। তখন সেখানে বিরক্ত করার জন্য কেউ থাকে না, এবং তখন ঠান্ডা শীতল আবহাওয়া কাজ করে তখন লিখার জন্য খুবই উপযুক্ত সময় ”

(৩) স্টিফেন কিং

“আমি আমার ভিটামিন ঔষধ খাওয়া এবং গানের কাজ একই জায়গায় বসে করি এবং কাগজপত্র সব একই স্থানে বসে আয়োজন করে থাকি। এই ধরনের কাজ গুলো প্রতিদিন একই পন্থায় একই ভাবে করে থাকি যেভাবে আমার মন বলে থাকি।”
আমরা দেখতে পাচ্ছি যে লেখার অভ্যাস গঠন ভাল কাজ। ইহা লিখার প্রক্রিয়াকে সংগঠিত করে এবং সর্বোপরি ভাল কাগজ পত্রে লিখতে সাহায্য করে।

সপ্তম দিন রবিবার

এবার আমাদের পরীক্ষার শেষ দিনে আপনাকে স্বাগতম। আজ রবিবার এবং এটা খুবই উপযুক্ত সময় আমাদের শ্রেষ্ঠ লেখাটা শুরু করার। সর্ব প্রথমে উপরে আলোচিত সব টিপস ভালো ভাবে দেখতে হবে এবং লেখার প্রক্রিয়ার জন্য প্রস্তুত হতে হবে।

এখানে ধাপে ধাপে পথ প্রদর্শন করা হলো কিভাবে লেখা শুরু করতে হবেঃ

আমাদের কর্মক্ষেত্রকে সংগঠিত করতে হবে।

এক কাপ সবুজ চা নেয়া যেতে পারে প্রফুল্লতা বৃদ্ধিত জন্য।

একটি ধারণা খুঁজে বের করার জন্য ইন্টারনেটে গভীরে যেতে পারে।

একটি পরিকল্পনা তৈরী করতে হবে। (আমরা যা লিখবো এর সংক্ষিপ্ত খসড়া)।

লেখাকে অনুপ্রেরণায় বদলে নিতে হবে।

একটি বিরতী নিয়ে পুণঃরায় আমাদের লেখা কে পড়তে হবে। নতুন কিছু যোগ করার জন্য, পাঠানোর জন্য বিভিন্ন বিষয়বস্তু খুঁজে বের করতে হবে। ওয়েবে এটি প্রচারের জন্য উন্নতি করতে হবে। মনে রাখতে হবে, আমাদের লেখার দক্ষতা বাড়াতে হলে আমাদের সমস্ত ড্রাফট এবং নোট রাখা উচিত। বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজনে যেন আমরা তা পড়তে এবং পরবর্তীতে ব্যবহারের চেষ্টা করতে পারি।

সর্বশেষ ভাবনা

আমি যখন এই পরীক্ষা তৈরী করছিলাম আমার লেখা একেবারে পালটে গিয়েছিল। তারপর থেকে অনেক নিবন্ধ লেখা হয়েছে এখন পর্যন্ত এবং এখন আমি তা করে থাকি খুব আনন্দের সঙ্গে। একথাও ঠিক যে, সব লেখকদের একটি পৃথক পদ্ধতির প্রয়োজন আছে কিন্তু কিছু কিছু মানুষের জন্য এই কৌশল গুলো উপকারী হতে পারে যারা এই মাত্রই লেখায় আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

আপনাদের কৌশল ও ব্লগ লেখার দক্ষতা উন্নতি সম্পর্কে নিজেস্ব কোন টিপস থাকে তাহলে তা, আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।
তাহলে চলুন ব্লগিং বিশ্বে আমরা আনন্দ করি!!

Afsana Tabassum

Afsana Tabassum

Afsana completed BSS LLB under national university. She is always helpful to everyone. She loves music very much and loves to read books specially poem. She also writes poem and story. On the other hand she is very conscious about fashion and beauty.
Afsana Tabassum

Comments

লেখাটি পড়ে কেমন লাগলো ?

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY